অবচেতন মন কিভাবে কাজ করে

অবচেতন মন কে ইংরেজিতে সাব কন্সাস মাইন্ড বলা হয়। পৃথিবী পৃষ্ঠের যেমন ৭১% জল, ঠিক তেমনিই আমাদের মনেরও বেশিরভাগটাই অবচেতন মন এর দখলে।

সাধারনত অবচেতন মন দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয় আমাদের সচেতন মন।

কিন্তু যদি, সচেতন মন যদি খুব জোরালো হয়, বা ধরুন সচেতন মনের পাওয়ার খুব বেশী হয়, তখনও কি আমরা অবচেতন মন দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়?

সচেতন মন যখন খুব বলশালী হয়, অবচেতন মন তখন সচেতন মনের চিন্তায় প্রভাবিত হয়ে, নিজের চিন্তা ধারা বদলে ফেলে।

খুব দুষ্টু বাচ্চা কে কখনো কন্ট্রোল করেছেন? এটা ভাঙছে, ওটা ছিঁড়ছে, নয়তো সব কিছু ছুঁড়ে দিচ্ছে। তারপরে নিজে নিজেই খুব হাসছে।

আমাদের অবচেতন মন ও ঠিক তাই। যদি অবচেতন মন কে সচেতনতার শিক্ষা দেওয়া না হয়; সেও গুচ্ছ নেগেটিভ চিন্তা, যতসব দুশ্চিন্তায় মেতে থাকে আর নিজে নিজেই মজা পেতে থাকে।

কিন্তু সচেতন মন সমাজ থেকে, পরিবেশ থেকে ধাক্কা খেয়ে কষ্ট পেতে থাকে।

ওইরকম দুষ্টু বাচ্চাকে আপনি কিভাবে কন্ট্রোল করবেন?

আপনি যদি তাকে দিনের পর দিন কোন ভালো কাজে ব্যস্ত রাখতে পারেন আর সেই সাথে বোঝাতে থাকেন; তাহলে তার অবচেতন মনের মধ্যে সচেতনতার আগমন হবে। আর সে ধীরে ধীরে বুঝতে শিখবে কোন কাজটা ঠিক আর কোন কাজটা ভুল।

অবচেতন মন কি?

অবচেতন মন হল উর্বর মাটি। আপনি কেমন থাকবেন তা নির্ভর করছে আপনার ওপর।

আপনি ওই উর্বর মাটিতে যেমন বীজ বপন করবেন, তেমন ফসল পাবেন। উপকারি ফসল পেলে আপনি ভালো থাকবেন, আর বিষাক্ত ফসল পেলে, কষ্ট পাবেন।

উপকারি ফসল পাওয়ার জন্য আপনাকে ভালো বীজ বপন করতে হবে এবং তার যত্ন নিতে হবে।

অবচেতন মন কিভাবে কাজ করে?

কেউ কেউ আছে যারা বাড়ীর দুষ্টু বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রন করতে পারে না।

তারা সবসময় বলতে থাকে-“ তোর শুধু ভাঙ্গাই কাজ। তুই তো শুধু ধ্বংস করতেই জানিস। তোর দ্বারা কিচ্ছু হবে না।“ বাচ্চাটি কথা গুলো শুনতে শুনতে মনের মধ্যে তা গেঁথে নেয়।

এইসব নেগেটিভ কথা দীর্ঘ কয়েক মাস শোনার পরে বাচ্চাটির মনে হয় যে সত্যি তার ভাঙ্গাই কাজ।

বাচ্চাটির অবচেতন মন ভাবতে থাকে যে সে শুধু ধ্বংস করতে এক্সপার্ট, ধ্বংস ছাড়া সে আর কিছু পারবে না। অবচেতন মনে এই ভাবনাগুলোর জোর বেড়ে যায়।

এর ফলে যখন সে কিছুটা বড় হয়ে পরিবেশ থেকে কিছু শিক্ষা পেয়ে ভালো কিছু করার চেষ্টা করবে, তার অবচেতন মন বাধা দেবে। অবচেতন মন শুধু বলতে থাকবে- “তোর দ্বারা কিচ্ছু হবে না, বৃথা চেষ্টা করছিস।“

কিন্তু তা হলে কি সেই বাচ্চাটি বড় হয়ে কোনোদিন ভালো কাজ করতে পারবে না?

নিশ্চয় পারবে। কিন্তু সেই জন্য কিছু উপায় অবলম্বন করা আবশ্যক যাতে করে সচেতন মন অবচেতন মনের ভেতরের ধারনাকে মুছে নতুন ধারনা তৈরি করতে পারে। এই কারনে সচেতন মনের মধ্যে খুব জোর থাকতে হবে যা থেকে অবচেতন মনের মধ্যেকার ধারনাগুলো চিরতরে লুপ্ত হয়ে যায়।

দেখে নেওয়া যাক সেইসব উপায়গুলো কি কি যা অবচেতন মনের মধ্যে বল প্রয়োগ করে নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে দূর করতে পারবে।

অবচেতন মন কি সচেতন মনকে প্রভাবিত করতে পারে? যদি পারে তাহলে কিভাবে তা পারে?

ধরুন আপনি ভালো চিন্তা করতে চাইছেন কিন্তু কিছুতেই তা পারছেন না। শুরু করছেন ভালো চিন্তা দিয়ে আর তারপরই বাকী সব অশুভ চিন্তাই মনের মধ্যে খেলছে। তাঁর মানে বুঝবেন যে আপনার অবচেতন মন এর দ্বারা আপনার সচেতন মন প্রভাবিত হচ্ছে। 

অন্যদিকে আপনি যখন সচেতন, তখন তো ভালো চিন্তা করাটা অভ্যেস করুন। মাঝে মাঝেই অশুভ চিন্তা উঁকি মারবে ঠিক ই, কিন্তু তাও অভ্যেস চালিয়ে যান। আর নীচে উল্লিখিত স্টেপস গুলো ফলো করুন।

যখন দেখবেন আপনার সচেতন মন কখনোই বাজে বা অশুভ চিন্তা করছে না, তখন দেখবেন আপনার অবচেতন মন ও আর অশুভ চিন্তা করছে না।

অবচেতন মন কে কিভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়?

১।  নিজেকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন

Just keep your conscious mind busy with the expectation of the best.

Joseph Murphy

যখন আপনি নিজেকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখেন, তখন অবচেতন মন শুধু নীরবে সচেতন মনকে দেখতে থাকে। এছাড়া আর কিছুই করে না।

যখন আপনি কিছুই কাজ করেন না, শুধুই বসে থাকেন; তখন অবচেতন মন এর মধ্যে জমে থাকা সব পুরানো স্মৃতি, কিংবা অতীতে যা কিছু আপনি দেখেছেন, শুনেছেন বা করেছেন –সেইসব নাড়া চাড়া করতে থাকে।

অবচেতন মন কে যত পুরানো স্মৃতি নাড়া চাড়া করতে এলাও করবেন, ততই সেইসব স্মৃতিগুলো প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকবে। ভালো, নতুন কিছুর জায়গা তখন আর হবে না।

তাই ব্যস্ত থাকুন। ভালো কাজ করুন। অন্যের উপকার করুন। তাহলে অবচেতন মন এর মধ্যে ভালো কিছু স্মৃতি জমবে। আর পুরানো বাজে স্মৃতি মুছে যাবে, নতুন ভালো স্মৃতির চাপে।

২। পজিটিভ চিন্তা করুন

ভালো চিন্তা করুন। জানি তো- আপনি হয়তো ভাবছেন, এটা বলা সহজ, কিন্তু করা খুব কঠিন।

আপনি কি চেষ্টা করেছেন ভালো চিন্তা করার? কিন্তু ভালো চিন্তা দিয়ে শুরু হতে হতেই কোন সময় সব বাজে চিন্তাগুলো দিয়েই নাড়াচাড়া করছেন, তা খেয়াল করেন নি? তাই তো?

প্রথম প্রথম এটা হওয়াই তো স্বাভাবিক। সেইজন্য কি করবেন, জানেন?

ধরুন একটা খুব বাজে চিন্তা এলো- না, আমার দ্বারা হবে না, মনে হচ্ছে। সাথে সাথে নিজেকে সংশোধন করুন আর নিজেই নিজের মনকে ধমক দিন।

“কে বলেছে? হবে না? আমার দ্বারাই হবে। হবে, হবে,একশ বার হবে, হাজার বার হবে।“

অন্য আর সাত পাঁচ না ভেবে ওই বাজে চিন্তা কে কারেক্ট করার জন্য যা যা ভালো বলা দরকার তাই বলুন। প্রয়োজনে একলা এক ঘরে, জোরে জোরে বলুন।

দেখবেন, ধীরে ধীরে অবচেতন মন এর মধ্যেও সেই ভাবনা চলে এসেছে- যে আপনার দ্বারাই হবে।

এইভাবে প্রতিটি বাজে চিন্তা কে কারেক্ট করুন।

৩। ডাইরি লিখা অভ্যেস করুন

Only one thing registers on the subconscious mind-repetitive application, practice. What you practice is what you manifest.

ডায়েরি লিখার অভ্যেস

অভ্যেসে সব বদলায়। হ্যাঁ, সময় হয়তো লাগে। কিন্তু পরিবর্তন নিশ্চিত।

ভেবেছিলেন তো প্রতি দিন ডাইরি লিখবেন? কিন্তু কয়েক পাতা লিখার পর আর লিখাই হয় না? ডাইরি টা পড়েই রয়েছে?

আবার আজ শুরু করুন। বিছানার মধ্যে রাখুন। প্রত্যহ ১ পাতা না লিখতে পারলেও, কয়েক টা লাইন লিখুন।

যদি তাও না পারেন, অন্ততপক্ষে এটা লিখুন যে – আমি সবার ভালো করবো। আমার দ্বারাই হবে। আমি জয়ী হবই।

একটা দিন ভুলে গেছেন লিখতে? এর জন্য নিজেই নিজেকে শাস্তি দিন। এক পা তুলে দাঁড়িয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। পরের দিন ভোলার আগে শাস্তির কথা মনে করুন।

এইভাবে দেখবেন, একদিন ডাইরি লিখাটা আপনার অভ্যেস হয়ে গেছে, যেমন সকালে ঘুম থেকে উঠেই খাবার খান, ঠিক তেমনি রাত্রে ডাইরি না লিখলে আপনার ঘুমই হবে না।  

৪। ভিজুইলাইজেশেন করুন

আপনার স্বপ্নগুলোকে পুরো ছবির আকারে ভিজুইলাইজ করুন। আমরা যা শুনি, তার চেয়ে বেশী মনে রাখতে পারি আমরা যা দেখি সেইসবকে। কিন্তু স্বপ্ন তো স্বপ্ন। এখনো তো পূর্ণ হয় নি! আপনি দেখবেন কি করে?

জানেন তো আমরা কিন্তু মনের চোখ দিয়ে আরও গভীরভাবে দেখতে পারি। শুধু এইজন্য যা দরকার তা হল- প্রবল ইচ্ছা এবং একাগ্রতা।

যেমন ধরুন- আপনি প্রত্যেকদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে আপনার আরাধ্য গুরুদেবের মুখ খানা ভিজুইলাইজ করে তাঁকে প্রনাম করে, তাঁর আশীর্বাদ নিতে পারেন।

কিংবা ভিজুইলাইজ করুন –স্বামী বিবেকানন্দ এর সেই ভাষণ আমেরিকার চিকাগো শহরে। আর আপনিও ওইরকমই কিছু ভাষণ দেবেন, দেশের মানুষকে মোটিভেট করার উদ্দ্যেশে।

এইসব করার ফলে অবচেতন মনের ভান্ডারে ভালো জিনিস, ভালো কথা গচ্ছিত হতে থাকবে।

৫।  বড় স্বপ্ন দেখুন

বড় স্বপ্ন
বিগ ড্রীম

ছোট ছোট স্বপ্ন দেখে নিজেকে ছোট করবেন না। এইরকম করলে কিন্তু আপনার অবচেতন মন এর ভেতরে একটা ধারনা তৈরি হয়ে যাবে যে আপনি বড় কাজের যোগ্য নন।

তাই সবসময় বড় স্বপ্ন দেখুন, আর বড় বড় চিন্তা ভাবনা করুন। পজিটিভ ভাবুন। তাহলে অবচেতন মনের ভান্ডারে যা গচ্ছিত হবে-

আপনি খুব বড় কাজের যোগ্য,

আপনি খুব বড়, ভালো চিন্তা ভাবনা করতে পারেন,

আপনি যা কিছু দেখবেন সে মনের চোখ দিয়ে বা আপনার দুই চোখ দিয়েই হোক না বা কেন, আপনি যা কিছু শুনবেন- এই সব কিছুই আপনার অবচেতন মনের ভাণ্ডারে জমা হবে।

৬। মেডিটেশেন করুন

আপনি ভালো চিন্তা করতে চাইলেও পারছেন না?

আপনি ভালো কিছু ভিজুইলাইজ করতে চাইলেও পারছেন না?

এইসব কিছুর একমাত্র সমাধান মেডিটেশেন। মেডিটেশেন শুধুমাত্র এক্সারসাইজই নয়, মেডিটেশেনের ফলে একাগ্রতা বাড়ে, মনের গভীরে প্রবেশ করে মন কে কন্ট্রোল করার ক্ষমতা বাড়ে। 

৭। চারিপাশটা পজিটিভিটি দিয়ে ভরিয়ে তুলুন

আপনার চারিপাশটা পজিটিভিটি দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। আপনার চারিপাশে সবাই নেগেটিভ কথা বলে, সবসময় বাজে কিছু আলোচনা হয়? আপনি ভাবছেন যে কিভাবে তা বদলানো সম্ভব?

কিন্তু আপনি তো আগেই ভিজুইলাইজ করে রেখেছেন? মনের মধ্যে ছবি আঁকুন যে আপনি যেসব লোকের সাথে মিশেন, তাদের কেউই আপনার উপস্থিতিতেবাজে কথা বলে না, বরং ভালো কথা বলে।

আপনি হচ্চেন সূর্যের মতো সুন্দর। যে জায়গাতেই যাবেন, সেই জায়গাটাকেই আলোকিত করে তুলবেন। আর সেই আলোর তেজে সমস্ত বাজে,নোংরা চিন্তার বিনাশ হবে।

৮। মনের মধ্যে কাল্পনিক ডাস্টবিন তৈরি করুন

এতোদিন অবধি তো আপনি অনেক বাজে চিন্তা করেছেন? আর এখন খুব চেষ্টা করছেন নিজেকে শুদ্ধ করার। আপনি নিজেকে শুদ্ধ করার আগে, মনকে শুদ্ধ করুন।

মনকে শুদ্ধ করার জন্য আপনার মনের মধ্যে জমে থাকা বাজে চিন্তা,অশুভ চিন্তাগুলোকে মন থেকে বাহির করুন। আর এই জন্য মনের মধ্যে একটা ডাস্টবিন তৈরি করুন।

মনে মনে সেই সব জঞ্জাল কে ওই ডাস্টবিনে ফেলুন।

৯। ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে আর মনের মধ্যে আশ্রয় দেবেন না

যেসব জঞ্জাল আপনি মানসিক ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছেন, সেইসব জঞ্জাল কে নিয়ে আর নাড়াচাড়া করবেন না।

আপনি তো জানেন যে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া জঞ্জাল আমরা কেউই কুড়োয় না। তাই অশুভ চিন্তা কে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছেন, সেইসব নোংরা চিন্তাগুলোকে নিয়ে আর ভাববেন না।

১০। অবচেতন মন কে ভালো রাখতে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুন

যার আছে, তাঁকে আরও দেওয়া হবে। আর যার নেই তাঁর থেকে কেড়ে নেওয়া হবে।

বাইবেল থেকে
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
কৃতজ্ঞতা

অনেক বছর ধরে মানুষ এর অর্থ ভুল বুঝে এসেছে। ভেবেছিল- তাহলে কি ধনী আরো ধনী হবে? আর গরীব আরো গরীব হবে?

কিন্তু আসলে তা নয়।

যার কৃতজ্ঞতা বোধ আছে, এই ইউনিভার্স তাঁকে আরো দেবে। আর যার কৃতজ্ঞতা বোধ নেই, এই ইউনিভার্স তার থেকে কেড়ে নেবে।

তাই মনে মনে ধন্যবাদ জানান

সেইসব প্রতিটি জিনিষকে যা আপনি ব্যবহার করেন;

এই গ্রহ, নক্ষত্র আর সূর্য কে যাদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য আপনি সুস্থ আছেন;

এই জল,মাটি,বায়ু,আকাশ কে যাদের জন্য আপনি পৃথিবীতে টিকে আছেন;

সেইসব মানুষ গুলোকে যারা আপনার পরিচিত, যারা কোন না কোন ভাবে আপনার ভালো বা ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে;

সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে যার জন্য পৃথিবী আজও সুস্থ আছে।

অবচেতন মনের জোর অনেক অনেক গুন বেশী। আর এই কারনে, অবচেতন মনের মধ্যে দীর্ঘদিনের জমে থাকা অশুভ চিন্তা গুলোকে মুছে ফেলা কষ্টকর হয়ে ওঠে।

যেমন দেখবেন- তেতো জিনিষ এর অনেক গুন মিষ্টি জিনিষের তুলনায়, ঠিক তেমনি যে কোন ভালো কাজ করতে বেশী কষ্ট হয়, খারাপ কাজের চেয়ে।

তাই ধৈর্য ধরে এগিয়ে যান এই ভেবে যে আজ এই মুহূর্ত থেকে সব শুভ চিন্তারই জাগরন হবে মনের মধ্যে যেহেতু আপনি সব অশুভ চিন্তাকে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছেন।

সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন,অবচেতন মন এর খেয়াল রাখুন, সবাইকে ভালো রাখুন। চলুন, সবাই মিলে একসাথে এক সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলি। এই পৃথিবীর প্রতিটি কোনা ভরে উঠুক ঈশ্বরের আশীর্বাদে!  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট