চিঠি লিখার নমুনা- কি লিখবেন চিঠিতে?

আপনি কি চিঠি লিখতে পছন্দ করেন? নাকি চিঠি লিখাকে নিছক সময় নষ্ট বলেই আখ্যা দিতে চান?

আপনি কি চিঠি লিখাকে সেকেলে বলে ভাবেন? আধুনিকতার স্রোতে নিজেকে ভাসাতে গিয়ে আপনি কি চিঠি লিখাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছেন?

এমন কাজ ভুল করেও করবেন না। আপনি হয়তো ভাবছেন এখন মোবাইল থাকতে কষ্ট করে চিঠি লিখতে যাবো কেন? চিঠি লিখলেই তো শুধু হবে না।

চিঠি লিখার পরে পোস্ট অফিসে যেতে হবে। শুধু শুধুই এতো ঝামেলা আপনি করতে যাবেনেই বা কেন?

আর জেনে নিন –চিঠি লিখার উপকারিতা, চিঠি লিখার নিয়ম, চিঠি লিখার সমস্যা ও তার সমাধান।

আর এইসব ভুল ধারনাগুলো দূর করতে আর ঝামেলা গুলো কমাতে পড়তে থাকুন শেষ অবধি

চিঠি লিখন কি?

জানেন কি চিঠি লিখা কাকে বলে?

চারিপাশ কে সাক্ষী রেখে, চারিপাশের ঘটনার বিবরন দিয়ে মনের কথা খুলে লিখাকেই চিঠি লিখা বলে।

কিভাবে চিঠি লিখবেন তা জানার আগে কেন চিঠি লিখবেন তা জেনে নিন-

চিঠি লিখার উপকারিতাগুলো কি?

আপনি চমকে যাবেন চিঠি লিখার উপকারিতাগুলো শুনলে। আর লিখতে থাকবেন আজ থেকেই।

১। কথা বলার চেয়ে লিখা শ্রেয়

Be a good listener first. Automatically, you will be a good speaker.

এটা নিশ্চয়ই শুনেছেন- ভালো কথা বলার আগে ভালো শ্রোতা হওয়া খুব দরকার। যারা ভালো বক্তা তারা কিন্তু ভালো শ্রোতাও।

যেমন ধরুন যে দিতে জানে সে নিতেও জানে। দুই বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সমতা বজায় থাকাটা তো প্রকৃতিরই নিয়ম।

চিঠি লেখাতে আনন্দ
চিঠি

আপনি যখন লিখে কাউকে দেবেন, আপনার হয়তো তখন কষ্টই মনে হবে। তারপর আপনিও যখন প্রত্যুত্তর পাবেন, তখন আপনার মন আনন্দে ভরে যাবে।

কথা বলার চেয়ে লিখা পাঠানো অনেক শ্রেয়। লিখাতে সময় লাগে বলেই তো চিঠি লিখার স্বাদই আলাদা।

২। চিঠিতে শব্দের মধ্যে ম্যাজিক

আপনি হয়তো বাড়ীতে বসে একাকীত্বে ভুগছেন। আপনার দুই ছেলেই চাকরি সুত্রে বাইরে আছে কিংবা পড়াশুনোর জন্য হস্টেলে আছে।

এমনও তো কিছু সময় হয় যে আপনার কিছুই ভালো লাগছে না। ঠিক যে মন খারাপ সেটাও নয় কিন্তু।

আপনার যে প্রিয় হবিগুলো যা আপনি অবসর সময়ে করেন সেইসব কিছুও করতে ইচ্ছে করছে না।

এইরকম হয় না কখনো সখনো? কি করেন তখন? আনমনে ভাবতে থাকেন, তাই না?

যা কিছু আপনি ভাবছেন- ছেলেমেয়েদের কিভাবে মানুষ করলেন,পুরানো কিছু স্মৃতি সেই সব কিছু একটা সাদা পাতায় লিখে ফেলুন।

পরে যখন আবার ওই রকম মন আপনার পাশে থাকবে না, আপনাকে মন খারাপের ছোঁয়া দেবে, তখন আপনি আজকের লিখা চিঠি টি পড়বেন।

আপনারই লিখা শব্দ গুলো দেখবেন মাজিক এর কাজ করবে। আর তক্ষুনি আবার আরো একটা সাদা পাতায় লিখতে বসে যাবেন।

৩। চিঠি লিখে মনের কথা খুলে প্রকাশ করা যায়

আপনি কি খুব লাজুক কিংবা চাপা স্বভাবের? মনের কথা কিছুতেই খুলে বলতে পারেন না?

প্রত্যেকবার ভাবেন যে পরে যখন ফোন করবেন সব খুলে বলবেন। কিন্তু তাও পারেন না।

ছেলে কিছু টাকা পাঠালে আপনার সুবিধে হত। কিন্তু বলবেন কি করে তাই ভাবছেন? কিংবা হয়তো আপনার শরীরের কিছু সমস্যা আপনি আপনার ছেলেকে জানাতে পারছেন না?

অথচ আপনি চাইছেন যে আপনার ছেলে আপনাকে একটা ভালো ডাক্তার দেখাক। কিন্তু কিছুতেই ফোনে বলতে পারছেন না?

লিখে ফেলুন চিঠি আপনার সন্তান যীশুকে। লিখুন এইভাবে , দেখুন তো কেমন লাগে-

চিঠি  স্যাম্পল
চিঠিপত্র

চিঠির নমুনা

হ্যালো যীশু,

তুই কেমন আছিস? খাওয়া-দাওয়া ঠিক ঠাক করছিস তো বাবা? নিজের শরীরের যত্ন নিস। ওখানে আবহাওয়া কেমন?

এখানে আজ সকাল থেকেই আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। এই বাদলা দিনগুলোতে মন কেমন উদাস হয়ে যায়। মন ওই মেঘেদের সাথে ভাসতে ভাসতে তোদের ছোটবেলার সময়ে চলে যায়।

এই তো সেদিন অলিম্পিয়াড পরীক্ষা দেওয়ার জন্য তোর কি বায়না? তারপর সব অলিম্পিয়াডে তোর নাম রেজিস্টার করে দিয়েছিলাম।

মন কেমন খামখেয়ালি। এইসব ভাবতে ভাবতে আবার বর্তমানে চলে আসে। তখনই তো হাঁটুর ব্যথা টা অসহ্য হয়ে ওঠে।

তোর কথা মতো নিয়মিত ব্যায়াম করি। জাঙ্ক ফুড তো একদম খাই না, তোর মা কেও খেতে বারন করি। কিন্তু তাও হাঁটু ব্যথা সঙ্গ ছাড়ছে না।

একবার ভালো ডাক্তার দেখাতাম। তুই যদি বাবা আসতিস, তাহলে তোর সাথেই যেতাম। জানি তো তোর কাজের খুব চাপ। তোর মতো বয়সে আমারও কাজের চাপ থাকতো।

তুই একদিন খুব বায়না করেছিলি অফিস থেকে ফিরে তোকে অন্নপূর্ণা মেলাতে নিয়ে যেতে হবে। আর সেদিনেই আমি অফিস থেকে অনেক রাত্রে বাড়ী ফিরেছিলাম।

তবে তার পরের দিন তোকে নিয়ে গিয়েছিলাম, তোর মনে পড়ে?  পরের দিন তোর সে কি আনন্দ! 

তোর যদি খুব কাজের চাপ থাকে তুই একটু অনলাইনে টিকিট টা কেটে দিস বাবা, আমি তোর মা কে নিয়ে চলে যাবো। আর ডাক্তারের ঠিকানা আর সময়টাও ঠিক করে বলে দিস।

তবে এই বয়সে কি বল তো যীশু তুইই আমাদের বাবা। তাই তুই সাথে গেলে ভরসা পাবো, মনে জোর পাবো যেমন একটা বাচ্চা পায় তার বাবা মা এর সাথে গেলে ঠিক তেমনি।

তাই একটু ভেবে চিন্তে জানাস।

ইতি- তোর বাবা।

দেখুন তো ওপরে যা যা লিখলাম এই সব কিছু কি আপনি মুখে বলতে পারতেন? মুখে বললে কি অনুভূতিগুলো গভীর হত? মুখে বললে, হয়তো আপনার ছেলে এতো কিছু শুনতই না।

৪। পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় থাকে

চারিপাশ সম্পর্কে একটা বিবরন যখন আপনি চিঠিতে লিখবেন, তখন আপনার সাথে পরিবেশের একটা মেন্টাল সম্পর্কও তৈরি হয়ে যাবে।

যেমন ধরুন- আপনি লিখছেন –“ আজ বড্ড গরম। গাছের পাতাগুলোরও একটুও নড়ন চড়ন নেই। বাতাস বোধ হয় আজ প্রকৃতি থেকে দূরে থাকতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করছে”।

আপনি যখন এইসব কিছু লিখবেন, প্রকৃতির সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠতা আরোই বাড়বে।

৫। চিন্তাশক্তি বাড়ে

প্রকৃতি আর পরিবেশের বিবরন লিখতে লিখতে আপনি অনুভব করবেন যে আপনার চিন্তা শক্তি অদ্ভুতভাবে অনেক খানি বেড়ে গেছে।

তাই যত ইচ্ছে এইসব বিবরন লিখতে থাকুন। এর ফলে যে ব্যক্তি আপনার লিখা চিঠিটি পড়বে, সেই ব্যক্তি পড়তেও ইন্টারেস্ট পাবে।

৬। লিখার স্পিড বাড়ে

সব কাজকর্ম নিশ্চয়ই কম্পিউটারেই করেন? হটাত করে কোন একদিন খাতায় লিখতে গেলে নিশ্চয় একটা অস্বস্তি অনুভব করেন?

এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে, আর আপনার প্রিয়জন কে ভালোবাসার ছোঁয়া দিতে আজকেই শুরু করুন চিঠি লিখতে।

৭। স্মরণীয় হয়ে থাকে

অতীতের সব স্মৃতি কি মনের মধ্যে মলিন হয়ে আসছে? বয়সের সাথে সাথে কি সব স্মৃতি ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে?

এখনো তো অনেক স্মৃতি বেঁচে আছে। আপনার বয়স বাড়লেও সেই স্মৃতি যেন চোখের সামনে ভাসতে থাকে –সেইজন্য চিঠি লিখতে থাকুন।

বর্তমান টাকেও ফুটিয়ে তুলুন কাগজের পাতায়। যাতে করে অদূর ভবিষ্যতে বর্তমান যখন অতীত হয়ে যাবে, তখনও আপনি যেন সেই ফেলে আসা অতীতের স্বাদ পান।

৮। বারে বারে ইচ্ছেমত যখন খুশী পড়া যায়

প্রচুর চিঠি জমে গেছে তো?

একটা বাক্স রাখুন শুধু মাত্র চিঠিগুলোকে গুছিয়ে রাখার জন্য।

এখন তো ছেলে বিদেশে চাকুরী করছে? আগের বছর যখন দেশের মধ্যেই শহরতলীতে পড়াশুনো করছিল, আপনাকে অনেক চিঠি লিখেছিল? সেই সব চিঠি নিশ্চয় রেখেছেন ওই চিঠির বাক্সে?

আজ ফাঁকা সময়ে মন খারাপ থেকে মুক্তি পেতে, ওই পুরানো চিঠিগুলো পড়ুন তো। দেখুন তো কেমন ফিল হয়?

৯। অতীতের সাথে বন্ধন বাড়ায়

আপনি যখন অতীতে লিখা চিঠিগুলো পড়েন তখন বর্তমানে বাস করেও আপনি অতীতে ফিরে যেতে পারবেন।

এমন কি আপনি যখন বেঁচে থাকবেন না সেই অদূর ভবিষ্যতে আপনার নাতি নাতনীরা তাদের বাবা মা এর কাছে থেকে আপনার হাতে লিখা চিঠি পড়বে, তখন তারাও আপনাকে ফিল করতে পারবে। 

আর এইভাবেই তো আপনার মনের মধ্যে অতীতের সাথে বন্ধন বাড়ায়।

কিভাবে চিঠি লিখবেন?

  • ওপরে বাম দিকে “To” লিখে তার পাশে যাকে চিঠি লিখবেন তার নাম লিখুন।
  • সংক্ষেপে নামের নীচে তার ঠিকানা বা কোম্পানির নাম লিখুন
  • তারপর তার নীচে মেন টপিক লিখতে শুরু করুন
  • শেষ হলে পরে নীচে বাম দিকে “ইতি” লিখে আপনার নাম লিখুন
  • এই পুরো লিখাটা একটা খামের মধ্যে ফোল্ড করে ঢোকান।
  • খামের ওপরে যাকে চিঠি টা লিখছেন তার ডিটেল এড্রেস লিখুন।
  • তারই নীচে ডানদিকে “From” লিখে আপনার এড্রেস লিখুন
  • তারপরে পোস্ট অফিসে যান। পোস্ট করুন।

চিঠিতে কি লিখবেন?

  • চিঠি লিখলেই সবার আগে তার খোঁজ খবর নিন যাকে আপনি চিঠিটা লিখছেন।
  • আবহাওয়ার খোঁজ নিন।
  • আপনার চারিপাশের পরিবেশের খোঁজ দিন।
  • আপনার খারাপ লাগছে কেন সেই কথা লিখুন, সমস্যাগুলো লিখুন।
  • সমস্যাগুলো পজিটিভ ভাবে লিখুন।
  • সমস্যাগুলোর সমাধান গুলোও দিন যদি আপনার কাছে কিছু টিপস বা সমাধান থেকে থাকে।
  • তাকে বলুন কোন সমাধান টা সে পছন্দ করছে তা জানাতে
  • আপনিও উত্তরের অপেক্ষায় থাকবেন –তা জানান। আশীর্বাদ দিন ছোটদের আর প্রাথনা জানান বড়দের জন্য।

চিঠি লিখার সমস্যাগুলো ও তার সমাধানগুলো কি?

যুগ বদলেছে, ডিজিটেলাইজড হয়েছে দেশ। দেশের উন্নতির সাথে সাথে পুরানো জিনিশগুলোকে একেবারে বর্জন না করে তাদেরকেও তো ডিজিটেলাইজড করতেই পারি, তাই না?

আর তাই এই উন্নত প্রযুক্তিবিদ্যার যুগে অনলাইন চিঠিও তো লিখা যায়। আসুন, দেখে নেওয়া যাক চিঠি লিখতে গিয়ে আপনি কি কি সমস্যায় পড়েন আর টার সমাধানগুলো কি।

চিঠি পোষ্ট এই সমস্যা
চিঠি পোষ্ট

ছেলে কি বিদেশে থাকে? তাহলে কি করে চিঠি লিখবেন তাই ভাবছেন?

হ্যাঁ, কাগজে লিখার কথা আমি উল্লেখ করেছি ঠিকই, কিন্তু তার অর্থ এই নয় তো যে আপনাকে কাগজেই লিখতে হবে। আপনি ই-মেল করুন।

কিংবা কাগজে লিখে, সেই লিখা টাকে মুবাইল থেকে স্ক্যান করুন কিংবা তার ফটো নিন।

আর সেই ফটো এটাচ করে দিন ই-মেল এ। তারপর সেই মেল পাঠিয়ে দিন।

আপনার ছেলেকেও তাই করতে বলুন। এরপর আপনার ছেলে বিদেশে থেকেই আপনার উপস্থিতি অনুভব করতে সক্ষম হবে।

শরীর কে ভালো রাখার জন্য কত্ত কিছু করতে হয়। আর মনকে ভালো রাখতে এইটুকু করতে পারবেন না?

এইসব চিঠি তিথি লিখার সময় কোথায়?

দেখুন শরীর খারাপ হলে আমরা কতো ওষুধ খাই, কতবার ডাক্তারের কাছে যাই। আর মন খারাপ হলে ডাক্তারের কাছেও যান না আবার ওষুধও খেতে হয় না?

সেক্ষেত্রে মন খারাপের সময়ে আপনার মন কে এক্টুখানি সময় তো দিন।

এতো কাগজ কোথায়? এখন তো আর বাড়ীতে কেউ পড়াশুনো করে না। সবাই বড় হয়ে গেছে তাই এখন তো সব ল্যাপটপ এই হয়।

শরীর খারাপের সময়ে তো গুচ্ছ গুচ্ছ ওষুধ কিনে নেন। আর মন কে ভালো রাখতে, বর্তমানের স্মৃতি কে ভবিষ্যতে ধরে রাখতে কিছু কাগজ কিনতে পারবেন না?

তাও যদি একান্তই না পারেন, তাহলে ল্যাপটপ এই লিখুন। আর ই-মেল এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দিন সেই চিঠি আপনার প্রিয় জনকে।

যাকে লিখবো তারও তো পড়ার সময় নেই? সে যদি না পড়ে, লিখা টা তো বেকার?

আপনি এতো সময় দিয়ে গুছিয়ে একটা চিঠি লিখলেন আপনার প্রিয়জনকে। আর সে যদি চিঠিটা না পড়ে। খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক।

তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সে পড়বে। সে যদি চিঠিটা না পড়ে, তাহলে জানবেন আপনাদের মধ্যে বন্ধন টা কমে যাচ্ছে।

সেই ক্ষেত্রে চিন্তা করবেন না। ভাববেন- আপনি আপনার মনকে ভালো রাখার জন্য লিখছেন। অন্যজনের থেকে আশা টা কম করবেন। কিন্তু চিঠি তাও লিখতে থাকবেন।

একদিন না একদিন সে নিশ্চয় পড়বে।

সবাই কেমন বলবে চিঠি লিখলে, ভাববে আপনার আর কোন কাজ নেই?

আজকালকার দিনে এইসব কেউ ভাবে নাকি কে কি বলবে। স্মার্ট ওয়ার্ক করুন। ভাবুন যে চিঠি লিখা টা বা চিঠি পড়াটা আপনার মনের ওষুধ।

একটা মাত্র চিঠি লিখে আর একটা মাত্র চিঠি পেয়ে পরে আপনার কেমন অনুভূতি হল তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

আপনাদের এই কমেন্ট আমাকে অনুপ্রানিত করে আপনাদের সব সমস্যার অভিনব সমাধান আবিষ্কার করে তা লিখে আপনাদের জানাতে।

সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন, সবাইকে ভালো রাখুন। চলুন, সবাই মিলে একসাথে এক সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলি। এই পৃথিবীর প্রতিটি কোনা ভরে উঠুক ঈশ্বরের আশীর্বাদে!  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট