সিগারেট ছাড়ার উপায় – ৭ টি অভিনব টিপস

সিগারেট শরীরের ক্ষতি করে –এই সম্পর্কে অবগত নয় এমন মানুষ হয়তো নেই। আর আপনিও নিশ্চয় জানেন সিগারেট পান কি পরিমানে ক্ষতি করে। যারা সিগেরেটে আসক্ত, তারা অবিলম্বে সিগারেট ছাড়ার উপায় গুলো জেনে নিন।

বাড়ীতে কেউ কেউ নিশ্চয় বকাবকি করতে থাকে। কিন্তু আপনি তা শোনেন না। কারন আপনি পারেন না। নেশা হয়ে গেছে, তাই তো?

নেশা হয়ে যায় নি, আপনিই করেছেন। তারপর শরীরে সমস্যা হলে বলবেন যে ভাগ্যটাই খারাপ। ভাগ্যটাও এমনি এমনিই খারাপ হয় না। আপনি যেমন ভাবে সাজাবেন, সেইভাবেই ভাগ্য সাজবে।

আসল কথা হল এই যে আপনার শরীরের প্রতিটি কোষ,রক্ত,শিরা,ধমনী, সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মালিক কিন্তু আপনিই।

আপনার প্রতিটি কোষের ঈশ্বরও আপনি। আপনি যিনি আপনার শরীরের কোষগুলো থেকে সবচে কাছে রয়েছেন, যদি তাদের দেখাশোনা না করেন, তাহলে আর কে করবে?

কল্পনা শক্তির বিশাল ক্ষমতা। আপনি যেমনটা ভাববেন তেমনটাই হবে।

আপনি কি সত্যি সত্যিই ভেবেছেন ধূমপান ছাড়বেন? প্রত্যেকবার ভাবেন, কিন্তু বন্ধুদের কাছে গেলেই ওরা এমনভাবে অনুরোধ করে যে আপনি না পান করে থাকতে পারেন না?

তাহলে সবার আগে কল্পনা করুন যে আপনি যখন সিগারেট পান করছেন, সেই ধোঁয়া কিভাবে আপনার খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস কে দূষিত করছে।

আপনি যখনই ওই ধোঁয়াটা ভেতরে পাঠান, আপনার ফুসফুস ছটফট করতে থাকে। আপনি কি তা দেখতে পান না?

আপনি নিজেই নিজের ফুসফুসকে ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে ফেলছেন। অথচ আপনার ভ্রূক্ষেপ নেই।

এবার নিজেকে বদলে ফেলুন এই মুহূর্ত থেকেই। আর এক সেকেন্ডও দেরী করবেন না।

যদি আপনি সত্যি সত্যিই ছাড়তে চান, মনে আত্মবিশ্বাস রাখুন।

ভাবুন যে – “মানুষ মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার কথা ভাবছে, আর আমি সামান্য সিগারেট ছাড়তে পারবো না? নিশ্চয় পারবো।“

ধূমপান বা সিগারেট পান কেন ছাড়া উচিৎ?

সিগারেট ছাড়ার উপায় জেনে সিগারেট ছাড়লে ফুসফুসের আয়ু বেড়ে যাবে।
সিগারেট বা ধুমপান

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার মতে সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৬০ লাখ লোক তামাকের ক্ষতিকর প্রভাবে মারা যায়।

শুধু ধুমপানের কারনে প্রতি বছর ৫০ লাখ মানুষ মারা যায়।

ধুমপানের প্রভাবে সবচে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় শ্বাসনালী, ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড,।

ধুমপান করার ফলে মানসিক চাপ বাড়ে, যৌন ক্ষমতা কমতে থাকে। ধূমপায়ী নারীদের মধ্যে মিসক্যারেজ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

১। নার্ভ সিস্টেম কে অত্যধিক সক্রিয় করে তোলে যা মোটেই স্বাভাবিক নয়

সিগারেটের ধোঁয়া শরীরের যে স্বাভাবিক ছন্দ তাকে ব্যাহত করে।

প্রত্যেকটি মেশিনের একটা নির্দিষ্ট গতি রয়েছে, বা কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে, একটা নির্দিষ্ট ভোল্টেজ আর এম্পিয়ারে মেশিনটি চললে, মেশিনটির আয়ু বেড়ে যায়।

কিন্তু আপনি যদি ভোল্টেজ বাড়িয়ে দেন, তাহলে মেশিনটি খুব স্পীডে চলতে থাকবে। মেশিনটির আয়ু কমে যাবে।

আরেকটা উদাহরন দেওয়া যাক- আপনি যদি খুব জোরে দৌড়ান, আপনি কয়েক মিনিটেই থেমে যাবেন।

কিন্তু আপনি যদি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী মোটামুটি স্পীডে দৌড়ান, আপনি অনেকক্ষণ দৌড়াতে সক্ষম হবেন।

২। রক্তে অক্সিজেনের পরিমান কমে যায়

আপনি যখন খুব জোরে টান দেন সিগারেটে, সিগারেটের ধোঁয়া প্রেসারে আপনার শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে।

আপনি যখন টানটা দেন, ধোঁয়া কোষের ভেতরের জায়গা নিয়ে নেয় আর অক্সিজেন কে বার করে দেয়।

ধোঁয়ার চাপে, বাইরের অক্সিজেন ও আপনি টানতে পারেন না।

আপনি অক্সিজেন নেওয়ার সময় তো নেচারেল থাকেন, তখন তো সিগারেট টানার মতো টান দেন না? তাই শরীরে অক্সিজেনের পরিমান কমতে থাকে।

৩। স্বাদ ও গন্ধ নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়

প্রতিটি মানুষেই স্বাদ ও গন্ধ নেওয়ার ক্ষমতা নিয়েই জন্মায়।

কিন্তু ওই আপনার সিগারেটের প্রতি টান এর জন্য গোটা শরীর জুড়ে প্রাধান্য পায় ধোঁয়া। কারন ধোঁয়াকে আপনি টান দিয়ে ঢোকান।

আমাদের স্বাদ নিয়ন্ত্রিত হয় জ্বিহার দ্বারা। জ্বিহার নীচে এক মাংসল পেশী থাকে যার ওপরে ধোঁয়ার লেয়ার পড়ে যায়। 

জ্বিহার বাকী দিকগুলো মিউকাস পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে যা লালাগ্রন্থির লালা ক্ষরণ গ্রহন করে।

আর সিগেরেট পানের জন্য ওই মিউকাস পর্দা লালা গ্রহনে অসমরথ্য হয়। এর ফলে স্বাদ নেওয়ার যে স্বাভাবিক ক্ষমতা টা নষ্ট হয়।

একিরকমভাবে ওই ধোঁয়া শ্বাসনালীর সঙ্গে নাক কেও প্রভাবিত করে। ফলে গন্ধ নেওয়ার স্বাভাবিক ক্ষমতাও ব্যাহত হয়।

৪। রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়

যখন আপনি নিজেই ধোঁয়াকে আপনার শরীরের ওপর অধিকার দিয়েছেন, তখন ধোঁয়া তো সমগ্র শরীরের ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে- এটাই তো স্বাভাবিক।

আর তাইতো সেই ধোঁয়া শিরা, ধমনীকেও প্রভাবিত করে। ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়।

৫। খিদে পেলেও খেতে ইচ্ছে করে না

প্রথম যখন সিগেরেটে মজা পেতে থাকলেন, মনে আছে, খিদে পেলেও টা তুচ্ছজ্ঞান করেছেন কিংবা খাবারের বদলে সিগারেট পান করেছেন? আর তারই ফলে, আজ খিদে পেলেও আপনার খেতে ইচ্ছে করে না। কারন আপনি আপনাকে দেখেন না, সিগারেট আপনাকে নিয়ন্ত্রন করে।

৬। ফুসফুস আক্রান্ত হওয়ায় ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়

এই কথা হয়তো সকলের জানা। দিনের পর দিন কম অক্সিজেন, ধোঁয়ার প্রাচুর্য ফুসফুসে ইনফেক্সেন হওয়ার কারন। সেই ইনফেক্সেন বুঝতে দেরী হওয়ায় টা ক্যান্সারে এর মতো দুরারোগ্য ব্যাধি তে দাঁড়ায়।

৭। পরিবেশ দূষিত হয়

আপনি যখন সিগারেট পান করেন, সিগারেট থেকে বেরনো ধোঁয়া আপনার চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পরিবেশ দূষিত হয়।

যে মানুষটা নিজের শরীরের প্রতিটি কোষ কে দূষিত করে তোলে সেই মানুষটা পরিবেশের দায়িত্ব নেবে কি করে?

সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার পর শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে

সিগারেটের ধোঁয়া প্রত্যহ ফুসফুসে এবং পরিবেশে ছাড়ার পর আপনি যদি একদিন হটাত করে সিগারেট ছেড়ে দেন তাহলে আপনার শরীরে কি কি পরিবর্তন ঘটবে দেখে নিন এক নজরেঃ

  • রক্তচাপ ও হার্ট বিট চেক করুন
  • মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার হার্ট বিট স্বাভাবিক।
  • রক্ত চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়
  • স্বাদ ও গন্ধ নেওয়ার ক্ষমতা ফিরে আসে
  • শরীর হাল্কা লাগে
  • ফুসফুসের অক্সিজেন গ্রহন করার ক্ষমতা বেড়ে যায় যা আগে কমে গিয়েছিল
  • হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে যায়
  • স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো যা সিগারেট এর জন্য হারিয়ে গিয়েছিল তা ফিরে আসে

সিগারেট ছাড়ার উপায় কি কি?

সিগারেট যে কি ভয়ঙ্কর তা বিস্তারিতভাবে জানার পর আপনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়েছেন যে সিগারেট ছাড়বেনই।

আর তাইতো এই ইন্টারনেটের যুগে দাঁড়িয়ে আপনি গুগুল কে জিগ্যেস করছেন সিগারেট ছাড়ার উপায়।

তাহলে দেখে নিন সিগারেট ছাড়ার উপায় গুলোঃ

১। পকেটে বা রুমে রাখা সিগারেটগুলো ছুঁড়ে ফেলুন

যেহেতু সিগারেট পান করা আপনার নেশা হয়ে গেছে, আপনার পকেটে বা রুমে নিশ্চয় সিগারেট রাখা আছে। সবার প্রথমে সেই সব সিগারেট ছুঁড়ে ফেলুন ডাস্টবিনে।

এর কিছুক্ষণ পর আপনার মন যখন চাইবে আরও সিগারেট কিনতে। আপনি তখন ভাববেন যার জায়গা আপনি ডাস্টবিনে করেছেন সেই বর্জ্য পদার্থ কিনতে আপনি দোকানে যাবেন?

আপনি যখন সিগারেটগুলো ডাস্টবিনে ফেলেছেন, নিশ্চয় ওইটাই সিগারেটের আসল জায়গা। আর তার মানেই তো তা বর্জ্য পদার্থের সমান।

২। সিগারেট পান করে এমন লোক থেকে দূরে থাকুন

ঠিক তো করেছেন যে এবার সিগারেট একদম ছাড়বেন। কিন্তু বন্ধুরা এমনভাবে বললে না পান করে থাকা যায় কি? ওদের খারাপ লাগবে না?

এইসব কিছু ভাবার আগে নিজের কথা ভাবুন। আপনার ফুসফুস তো প্রত্যহ আপনাকে কতবার বলে আর ধোঁয়া না পাঠাতে। আপনি তা শুনতে পান না?

আপনিই ভাবুন না- আপনার চেনা বন্ধুটির বা আপনার কোন পরিচিত ব্যাক্তি যখন ফুসফুসের সমস্যায় হসপিটাল এ জীবনের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে, আপনি তার খোঁজ নেওয়ার জন্য কতবার তার সাথে দেখা করতে হসপিটাল এ গেছেন? বা তাকে কতো টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন?

যেসব বন্ধুরা সিগারেট ছাড়তে বারন করে থাকে, সেইসব বন্ধুরা আপনার খারাপ সময়ে একদমই কাছে থাকবে না।

তাই সবার আগে নিজের কথা শুনুন। যখন আপনি সিগারেট পানের জন্য কষ্ট পাবেন, তখন সেই বন্ধুরা কিন্তু একটুও কষ্ট পাবে না।

আপনার শরীর। তাই তাকে ভালো রাখার দায়িত্ব আপনারই, এমন কি ঈশ্বরেরও নয়। 

৩। নিজেই নিজেকে কথা দিন- আর সিগারেট কখনো কিনবেন না

নিজেই নিজের দায়িত্ব নিন। এই সামান্য কাজটা যদি করতে না পারেন, আপনি পরিবারের অন্যদের দায়িত্ব নেবেন কি করে?

নিজেই নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করুন আর কোনোদিন সিগারেট কিনবেন না। মনে রাখবেন- যে প্রতিজ্ঞা আপনি করেছেন তা ভাঙ্গবেন না।

আপনি যদি প্রতিজ্ঞা না রাখেন, তাহলে অন্যরাও আপনাকে কথা দিয়ে কথা রাখবেন না।

৪। লজেন্স খান কিংবা চুইঙ্গাম খান

সিগারেটের বদলে লজেন্স রাখুন আপনার পকেটে। যখন আপনার সিগারেট খেতে ইচ্ছে করবে, তখন আপনি লজেন্স খাবেন।

আর নিজেই নিজেকে বলবেন- “ আমি আমার শরীরের প্রতিটি কোষ কে, প্রতিটি অঙ্গ কে যত্ন করি। আমি সবচে বেশী ভালবাসি, আমার শরীরের ভেতরে যে একটা বিশাল মেশিন আছে তাকে”।

৫।কোন সমস্যায় পড়ে কি সিগারেট খাচ্ছেন? তাহলে সেই সমস্যা দূর করার অন্য উপায় ভাবুন

আপনি কেন সিগারেট খান- এই প্রশ্নটা আগে নিজেকে জিগ্যেস করুন?

অফিসে কাজের চাপ কি আর নেওয়া যাচ্ছে না? নাকি অফিস শেষে বাড়ীতে পৌঁছেই কি নানান অশান্তির সম্মুখীন হতে হয়? 

৬। সেই সময়গুলোতে সজাগ থাকুন

যেহেতু সবে সবে আপনি ঠিক করেছেন যে সিগারেট থেকে দূরে থাকবেন, তাই প্রথম প্রথম আপনার নির্দিষ্ট কিছু সময়ে সিগারেটের জন্য মন অস্থির হয়ে যাবে। দীর্ঘ দিনের বদ অভ্যেসের ব্যাপার তো!

ওই সময়গুলোতে একটু সতর্ক থাকবেন। খেয়াল রাখবেন যে আপনি আপনার কাছেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

ভুল করেও এই প্রতিজ্ঞার নড়চড় করবেন না, কারন সেক্ষেত্রে গোটা পৃথিবী আপনার সাথে তাই করবে, কথা দিয়ে কথা রাখবে না।

এই কঠিন সময়গুলোতে আপনি সেইসব মানুষের সাথে কথা বলুন যারা সিগারেট পান করেন না। কিংবা খোলা আকাশের নীচে হাঁটুন।

আর যদি অফিসে থাকেন তাহলে সেইসব কলিগ দের সাথে বাইরে থেকে ঘুরে আসুন, ডাবের জল কিংবা জুস পান করে আসুন।

অফিস থেকে বেরোতে না পারলে খবর পড়াতে মন দিন। মন দিন সেই সব কাজে যা আপনি ভালোবাসেন শুধু সিগারেট পানটা বাদ দিয়ে।

৭। অর্থ সঞ্চয় করুন

যদি আপনার কাছে যথেষ্ট অর্থ আছে, অভাবের মুখোমুখি আপনাকে কোনোদিনই হতে হয় নি, তাহলে সিগারেট না কিনে যেটুকু জমাতে পারছেন তা ডোনেট করে দিন। এতে আপনার ডোনেট করার জন্য দৈনন্দিন জীবনে কোন প্রভাব পড়বে না।

আর যদি আপনার অর্থের অভাব থেকে থাকে, তাহলে সিগারেট ছেড়ে অর্থ সঞ্চয় করুন।

ফোঁটা ফোঁটা জল থেকেই যেমন সিন্ধুর রচনা হয় ঠিক তেমনি ওই একটু একটু করে টাকা সঞ্চয় করতে থাকলে একদিন আপনার অভাব দূর হয়ে যাবে।

এই ৭ টি উপায় ফলো করতে থাকুন। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই আপনি পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। আপনার শরীরের প্রতিটি কোষ সুস্থ হতে থাকবে। শরীর সুস্থ থাকলে মন ও ভালো হয়ে যাবে।

ভালো শরীর আর মন নিয়ে ভুলে যান সিগারেট কে সারা জীবনের মতো। শেয়ার করুন সিগারেট ছাড়ার উপায় গুলো। অনুপ্রানিত করুন অন্যদের যারা সিগারেট ছাড়ার চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না।

সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন, সবাইকে ভালো রাখুন। চলুন, সবাই মিলে একসাথে এক সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলি। এই পৃথিবীর প্রতিটি কোনা ভরে উঠুক ঈশ্বরের আশীর্বাদে আর সিগারেট ছাড়ার উপায় গুলো জেনে নিজেকে সুস্থ রাখুন।

2 thoughts on “সিগারেট ছাড়ার উপায় – ৭ টি অভিনব টিপস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট