কিভাবে জীবনে উন্নতি করা যায়-কিছু অভিনব উপায়

কে না চায় জীবনে উন্নতি করতে? জীবনে উন্নতি হলেই তো সফলতা নিশ্চিত হয়ে যায়। আর তাইতো আমাদের সবার নজর থাকে উন্নতি করার দিকে।

আজকের আপনি যদি গতকালের আপনির চেয়ে ভালো হয়ে থাকেন, তাহলেই তো জানবেন যে আপনি উন্নতির পথে হাঁটছেন।

সময় যেমন সবসময় সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আমাদেরও উন্নতির গ্রাফ যেন সামনের দিকে এগিয়ে যায় সেইদিকে নজর দেওয়া উচিৎ।

প্রতিটা মুহূর্তে আমাদের মনের মধ্যে যে চিন্তাগুলো চলে, সেইসব চিন্তাগুলোও যেন উন্নতির পথে হাঁটে, সেই দিকেও আমাদের নজর দেওয়া উচিৎ।

জীবনে উন্নতি বলতে বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্ন বোঝায়। কেউ হয়তো কর্মে উন্নতি করতে চায় আবার কেউ শরীরের উন্নতি চায়।

আবার কেউ মানসিক উন্নতি বা ধর্মীয় জীবনে উন্নতি চায়। এই তিন ধরনের উন্নতি কিভাবে করা যায় তাই নিয়ে আলোচনা করবো এখানে।

ক। জীবনে উন্নতি এর জন্য শারীরিক উন্নতি আবশ্যক

শরীর যদি ঠিক না থাকে, মন কিছুতেই ভালো থাকে না। শরীর আর মন যদি ভালো না থাকে কর্মে উন্নতি করবেন কি করে? সবার আগে তো শরীরের দিকে খেয়াল রাখা উচিৎ।

শরীরকে সুস্থ রাখতে গেলে নীচে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্টেপ অনুসরণ করুন –

১. জীবনে উন্নতি করতে গেলে ভালো অভ্যেস গড়ে তুলুন

ভালো কিছু অভ্যেস গড়ে তুলুন। যেমন ধরুন – খুব সকালে যদি না পারেন তো কমপক্ষে ৬ টার মধ্যে উঠে পড়ুন। আর যাতে আপনি ৬ টার মধ্যে উঠতে পারেন সেইজন্য রাত্রে ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে শুয়ে পড়ুন।

সকালে ওঠা- ভালো অভ্যেস
সূর্যোদয়

মিথ্যে কথা কখনই বলবেন না। একটা মিথ্যের হাত থেকে বাঁচার জন্য হাজারটা মিথ্যের আশ্রয় নিতে হয়। যে মিথ্যে কথা বলাতে কারো কোন ক্ষতি হয় না বরং উপকার হয় সেই রকমের মিথ্যে কথা বলা যেতে পারে।

ভালো বন্ধুদের সাথে মিশুন। সঙ্গ যদি অসৎ হয়, আপনি ও খুব শীঘ্রই অসৎ পথে হাঁটতে থাকবেন। তাই অসৎ সঙ্গ ছাড়ুন।

২. সুষম আহার

বাড়ীতে তৈরি খাবার খান। বেশী মশলাযুক্ত খাবার বর্জন করুন। খাবারের মধ্যে স্যলাড, ফলমূল রাখুন। শাকসবজি বেশী করে খান।

আর এইরকম আহার করতে পারলে, আপনাকে ডাক্তার এর কাছে যাওয়ার প্রয়োজনই পড়বে না।

স্বাস্থ্যকর খাবার

৩. জল পান

যে কোন জিনিষ পরিষ্কার করার জন্য আপনি নিশ্চয় জল ব্যবহার করেন। যেমন ধরুন -জলের ট্যাঙ্ক জল দিয়েই পরিষ্কার করেন।

ঠিক তেমনি শরীর পরিষ্কার করতে জল ব্যবহার করুন। মানে শরীরের বাহিরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিষ্কার করতে নিয়মিত চান করুন।

শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিষ্কার করতে বেশী করে জল পান করুন। এই জল ই তো আপনার শরীরের সব জীবাণু বাইরে বার করে দেবে।

৪. যোগব্যায়াম- জীবনে উন্নতি নিয়ে আসে

নিয়মিত যোগব্যায়াম আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। শরীরে মেদ জমতে দেয় না।

যোগব্যায়ামের ফলে আমাদের ফুসফুস ভালো থাকে। শ্লেষ্মা জমে না। অন্যান্য কাজে উৎসাহ পাওয়া যায়। এর ফলে মন ও ভালো থাকে। এইসব কারনে নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন।

শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়াম
ব্যায়াম

খ। কর্মে উন্নতি

আপনি কি খুঁজে পাচ্ছেন না যে কীভাবে কর্ম জীবনে উন্নতি করবেন?

প্রত্যেকবার স্বপ্ন দেখেন যে এইবার আপনার কাজে উন্নতি হবে, লোকজন আপনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হবে। কিন্তু তার কিছুদিন পরেই আপনি জানতে পারেন যে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন।

আর এই ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্য আপনি হতাশ হয়ে পড়েছেন?

আর হতাশা নয়। জীবনে উন্নতি কিভাবে করা যায় জানতে হলে নীচে দেওয়া এই মাত্র ১০ টি স্টেপস আপনাকে অনুসরণ করতে হবে।

১। নিজেকে পর্যালোচনা করুন

আপনি নিজের প্রতিটি কাজকর্ম বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করুন। যেমন ধরুন -আপনি মিথ্যে বলেন না তো ?

আপনি কাউকে ঠকান না তো ? কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নি তো ? এইসব নিয়ে নিজেকে বিচার করুন।

আর সবচে জরুরি হল- আপনি নিজেকে ঘৃণা করেন না তো ? এইসবের থেকে যদি আপনি বিরত থাকেন, তাহলে আপনার মানসিক উন্নতি হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়ে যায়।

আপনার কোন কাজ করতে ভালো লাগে আর কোনটি করতে খারাপ লাগে তা নিয়ে এবার ভাবুন।

মানুষ কেন, প্রতিটি জীবের মধ্যেই দোষ, গুন দুইই নিহিত থাকে। আপনাকে খুঁজে বার করতে হবে আপনার দোষ আর গুনগুলো কি।

কোন কোন কাজে আপনি পারদর্শী আর কোন কোন কাজে আপনি একদমই নিপুন নন – এইসব কিছু আপনাকে খুঁজে বার করতে হবে।

২। জীবনে উন্নতি এর জন্য লক্ষ্য স্থির করুন

আপনি কি বুঝতে পারছেন না কীভাবে লক্ষ্য স্থির করবেন ? নিজেকে ভালবাসুন। তাহলেই কিন্তু নিজের গুনগুলো চোখে পড়বে।

প্রতিটি মানুষেরই পৃথিবীতে আসার পিছনে কোন না কোন উদ্দ্যেশ্য আছে ।

সেই উদ্দ্যেশ্য টা কি , আপনি নিজেকে আর নিজের প্রতিটি কাজকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করলে খুঁজে পেয়ে যাবেন ।

তারপর সেই উদ্দ্যেশ্য পূরণ করার জন্য আপনি জোর কদমে সেই রাস্তায় হাঁটতে থাকুন।

আপনি রাস্তায় হাঁটার গতি কম রাখতে পারেন কিন্তু কখনই থেমে যাবেন না। জীবনের লক্ষ্যগুলো নিজের সাধ্যমতো করুন।

জীবনে উন্নতি করতে চাইলে লক্ষ্য স্থির করুন।
লক্ষ্য স্থির রাখুন

যেটুকু রাস্তা আপনার জানা, সেইটুকু রাস্তার মধ্যেই লক্ষ্য স্থির করুন। আগে রাস্তাটা জানুন; তারপর সেই রাস্তায় হাঁটা শুরু করুন।

এরপর আপনি ভাবছেন যে রাস্তাটা কি করে জানবেন, কি তাইতো ? আপনার আগে ওইসব রাস্তায় অনেক মানুষ হেঁটেছেন, তাদের কাছ থেকে জানুন রাস্তাটা কেমন। এইভাবে জীবনের লক্ষ্য স্থির করুন।

৩। স্বপ্ন দেখুন

প্রথম দুটো স্টেপ অনুসরণ করার পর আপনি স্বপ্ন দেখতে থাকুন। এখন আপনার জীবনে হাঁটার রাস্তাও মোটামুটি জানা।

ওই রাস্তার ওঠা নামা গুলো সম্বন্ধেও নিশ্চয় আপনি অবগত। এইসব জেনে পর আপনি স্বপ্ন দেখতে শুরু করুন।

স্বপ্ন দেখবেন মানে গভীরভাবে একমনে চিন্তা করবেন আর সাথে সাথে যেসব নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন সেইসব কাজগুলো একের পর এক করতে থাকবেন।

জীবনে উন্নতি এর জন্য স্বপ্ন পূরণের আগে স্বপ্ন দেখা আবশ্যক
স্বপ্ন দেখে যান যতক্ষণ না তা বাস্তবায়িত হয়

৪। আত্মবিশ্বাস অর্জন করুন

আপনি তো প্রথম দুটো স্টেপই জেনে গেছেন আপনার গুনগুলো কি, আপনি কি কি কাজ করতে পারেন আর সেইসব কাজ নিয়ে স্বপ্ন ও দেখছেন। তাহলে এবার তো ভাবুন যে আপনি পারবেন।

ছোট ছোট কাজ সফল হলে নিজেকে ধন্যবাদ জানান। এইভাবে একটু একটু করে আত্মবিশ্বাস অর্জন করুন।

নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন- জীবনে উন্নতি হবেই
আত্মবিশ্বাস – নিজের ওপর আস্থা রাখুন

৫। হাল ছাড়বেন না

কয়েকটা কাজে সফল হয়ে নিজেকে বিশাল ভেবে পরবর্তী কাজগুলোতে ফাঁকি দেবেন না। তাহলে কোনোদিনই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন না। আবার কিছু কাজে ব্যর্থ হয়েছেন বলে পরবর্তী কাজগুলো বন্ধ করে দেবেন না।

ধরুন আপনি একটা রাস্তায় চলতে শুরু করেছেন, অনেকটা রাস্তা এসেও গেছেন।

এরপর সামনেই একটা জঙ্গল বা রাস্তা দুর্গম দেখে আপনি যদি রাস্তায় চলা বন্ধ করে দেন তাহলে আপনি কি করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবেন ? নতুন কোন রাস্তা ধরলে সেই রাস্তাও তো দুর্গম হতেই পারে। এমনকি এখনকার রাস্তার চেয়েও দুর্গম হতে পারে।

৬। ব্যর্থতা থেকে শিখুন

যে কোন বই এর cover page সবসময় বই এর অন্য page গুলোর চেয়ে আকর্ষণীয় হয়ে থাকে ।

ঠিক তেমনি , সফল মানুষদেরও ওপরের যে আকর্ষণীয় চেহারা তার ভেতরেও প্রচুর ক্লান্তি , কষ্ট , ব্যর্থতার গ্লানি লুকিয়ে আছে । কিন্তু সেইসব অতীতের কথা তারা মনের গভীরে সংগোপনে রেখে দেন।

ব্যর্থতা হল সাফল্যের প্রথম স্টেপ। আর এইসব ব্যর্থতা আপনার কাছে যেন শিক্ষকের কাজ করে।

ব্যর্থতা থেকে শিখুন- তাহলেই জীবনে উন্নতি হবে।
সাফল্য

৭। ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না

আপনি যদি একই ভুল বার বার করেন, একইরকম ভাবে বার বার ব্যর্থ হবেন। তাই জীবনের ভুলগুলো থেকে শিখুন। আর যা কিছু আপনি শিখলেন তা মাথায় রেখে এগিয়ে যান সামনের দিকে। কোন নতুন কাজ করার আগে পুরান কাজে কথায় কীভাবে আর কি কি ভুল করেছেন, কি করলে সেই ভুল এড়ানো যায়, তাই ভাবুন।

৮। কালকের জন্য কাজ ফেলে রাখবেন না

ইংরেজি তে একটা টার্ম আছে -“Procrastination” মানে দীর্ঘসূত্রিতা । এর অর্থ এই যে আপনি সবকিছুই ভাবেন কাল করবো । এখানে কাল মানে ঠিক আগামীকাল বলছি না । আজ আপনি কোন কারনে ভালো নেই , সেইজন্যই তো আজকের কাজটা আপনি আগামীকাল করতে চেয়েছেন। এতে কোন অসুবিধে নেই।

কিন্তু আপনি শরীরের দিকে মনের দিকে – এই দুই দিকেই ঠিক আছেন, আপনার কাছে অনেক সময়ও আছে , তা স্বত্বেও আপনি কাজটি আজ এই মুহূর্তে না করে , পরে করবেন বলে রেখে দিয়েছেন।এইভাবে কাজ ফেলে রাখা একদম উচিৎ নয়। আজকের কাজ আজকেই সম্পন্ন করে ফেলুন।

৯। অলসতাকে নিজের অভিধান থেকে বার করে দিন আর জীবনে উন্নতি নিয়ে আসুন

অলসতাকে প্রশ্রয় একদম দেবেন না। অলসতা সবসময় আপনাকে উন্নতি না করতে সাহায্য করবে আর সব কাজ আপনি যেন ফেলে রাখেন তার চেষ্টাই করবে। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। যখন আপনার কাজ করতে ইচ্ছে করবে না তখন আপনি ” কি কি কাজ বাকী আছে ” তার একটা লিস্ট বানিয়ে ফেলুন ।

১০। কঠোর পরিশ্রম করুন

সাফল্যের স্বাদ যদি পেতে চান, কঠোর পরিশ্রম করুন। প্রথম কয়েকদিন আপনার কষ্ট হবে, তারপর দেখবেন সবসময় কাজের মধ্যে থাকা আপনার একটা আভ্যেস এ পরিণত হয়েছে। এর অনেক ভালো দিক ও আছে।

যারা কাজ ছাড়া থাকতে পারে না তারা কিন্তু অন্যের নিয়ে বেশি পরনিন্দা বা সমালোচনা করার সময়ও পায় না। দুশ্চিন্তা তাদের মস্তিষ্ককে গ্রাস করতে পারে না। কর্মই তো জীবন। যেমন বহমান নদীতে শ্যাওলা জমে না, ঠিক তেমনি কঠোর পরিশ্রমে মজে থাকলে, দুঃখ অশান্তি মনের মধ্যে ঠাঁই নেয় না।

হাল ছাড়বেন না
কঠোর পরিশ্রম

গ । মানসিক উন্নতি

মন ভালো থাকলেই তো কাজের মধ্যে শক্তি পাওয়া যায়, কাজ করতে ইচ্ছে করে। মনের মধ্যে যে চিন্তাগুলো চলতে থাকে সেগুলো যেন আপনার কন্ট্রোল এ থাকে সেইদিকে বিশেষ খেয়াল রাখা উচিৎ। আর মনকে ভালো রাখার জন্য নীচের ৩ টি স্টেপ অনুসরণ করুন-

১। ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখুন

এক অলৌকিক শক্তি তো অবশ্যই বিরাজমান। আর সেই শক্তিকেই কেউ ঈশ্বর কেউ আল্লহা বলে থাকেন। তবে ঈশ্বরেই মালিক, ঈশ্বরেই সব করে দেবেন ভেবে আপনি যদি বসে থাকেন তাহলে আপনি ভুল পথে হাঁটছেন। ছোটবেলাতে বাবা মা সব কিছুর দেখাশুনো করে থাকেন। কিন্তু তা স্বত্বেও আপনার কাজগুলো তো আপনিই করেছিলেন, তাই না ?

ঈশ্বর
ভগবান

ঠিক তেমনি ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখলে, অন্যের কোন ক্ষতি না করলে আপনি অনুভব করবেন আপনার মন যেন কিছু বলছে, আপনি যে জীবনে উন্নতি করতে পারবেন আর কীভাবে পারবেন সেইসব কথাই বলছে।

আর এই যে হৃদয়ের ডাক তাকে কখনই অস্বীকার করবেন না। ঈশ্বরে বিশ্বাস তো মাথার ওপরে ছাদের মতো। আপনি যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখেন আপনার মনে হবে মাথার ওপরে কেউ একজন আছেন, ভয় চলে যাবে, আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

২। প্রার্থনা

জানেন তো প্রার্থনার অনেক জোর আছে। আপনি যা মন থেকে চায়ছেন, তা ঈশ্বরের কাছে নিবেদন করাই তো প্রার্থনা। একান্তে নিভৃতে আপনার জীবনে যা কিছু করার ইচ্ছে, সেইসব কিছু ঈশ্বরকে জানান।

ইচ্ছা নিবেদন
প্রার্থনা

৩। কিছু মটিভেশন্যাল বই পড়ুন -জীবনে উন্নতি এর জন্য

ওপরের দুটো স্টেপ অনুসরণ করেও কি কোন ফল পাচ্ছেন না কিংবা ওই দুটো স্টেপ অনুসরণ করতেই পারছেন না? তাহলে কিছু মটিভেশন্যাল বই পড়ুন, মনকে হাল্কা করুন। এই বইগুলোই তো আমাদের মনে শক্তি যোগায়।

আপনি যদি কর্মে উন্নতি করতে চান, শারীরিক আর মানসিক এই দুই এর উন্নতির দিকে আগে খেয়াল রাখা উচিৎ। আপনি আপনার উন্নতিতে তখনই খুশি হবেন যখন আপনার শরীর আর মন ভালো থাকবে।

জীবনে উন্নতি হলে, আমরা সকলেই কোন অনুষ্ঠান এর আয়োজন করে আত্মীয়স্বজনদের খাওয়াতে ভালোবাসি। কিন্তু শরীর আর মন ভালো না থাকলে, আপনার উন্নতি আপনার চোখে পড়বে না বা আপনি আপনার উন্নতির জন্য কোন অনুষ্ঠান করতে পারবেন না। তাই সবার আগে শরীর আর মনের উন্নতির দিকে লক্ষ্য রাখুন।

সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন, সবাইকে ভালো রাখুন। চলুন, সবাই মিলে একসাথে এক সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলি। এই পৃথিবীর প্রতিটি কোনা ভরে উঠুক ঈশ্বরের আশীর্বাদে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট